নিজস্ব প্রতিবেদক | সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, 1st মার্চ, 2019

ডিজিটাল বাংলাদেশের অগ্রগতি উপস্থাপিত

Share This
Tags
Print Friendly

50230675_966520706878987_8846766137287901184_oইনটেলিজেন্ট কানেকটিভিটি থিমকে সামনে রেখে বিশ্ব মোবাইল বাজারের রাজধানী হিসেবে খ্যাত বার্সেলোনায় চলছে মোবাইল ওয়ার্ল্ড কংগ্রেসের (এমডব্লিউসি ১৯) এ বছরের আসর।

জিএসএমএর আয়োজনে বিশ্বের সবচেয়ে বড় এই টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি প্রদর্শনীতে সব বিখ্যাত টেলিযোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান, দেশগুলোর রাষ্ট্রীয় নিয়ন্ত্রক ও পলিসি পর্যায়ের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করে।

মঙ্গলবার প্রদর্শনীর দ্বিতীয় দিনে স্থানীয় সময় সাড়ে ১১টার দিকে ফিরা গ্রেন অডিটোরিয়ামে মিনিস্ট্রিরিয়াল কনফারেন্সে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

 মোবাইল ইনফ্রাস্ট্রাকচার : ইজ ইউর পলিসি ফিট ফর পারপাস?’ শীর্ষক মূলপ্রবন্ধে ২০০৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ভিশন ২০২১, জ্ঞানভিত্তিক সমাজ বিনির্মাণের মাধ্যমে ২০৪১ সালে উন্নত জাতি বিনির্মাণ এবং ২১০০ সালের মধ্যে বদ্ধীপ পরিকল্পনা করছে সেগুলো তুলে ধরেন। মন্ত্রী গত দশ বছরে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অগ্রগতি ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার করে বাংলাদেশের অভাবনীয় অগ্রগতি নিয়ে আলোকপাত করেন।

এ ছাড়া হোয়াটস নেক্সট? বাংলাদেশ কোন দিকে যাচ্ছে? বাংলাদেশ ফাইভজিতে যাবে ২০২১ থেকে ২০২৩-এর মধ্যে তার কী প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে এবং ডিজিটাল শিল্পবিপ্লবে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাসহ ধারাবাহিকভাবে উচ্চ প্রবৃদ্ধিসহ বিভিন্ন আর্থ-সামাজিক বৈশ্বিক সূচকে বাংলাদেশের অগ্রযাত্রার বিষয়গুলো আলোচনায় উঠে আসে।

প্রযুক্তিকে কীভাবে পলিসি ফ্রেমওয়ার্কে সম্পৃক্ত করে, প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অর্থনৈতিক উন্নয়নের দিকে যেতে পারে তা বিস্তারিতভাবে দেখান মোস্তাফা জব্বার।

বাংলাদেশের তৃণমূল পর্যায়ে মানুষের কাছে তথ্যপ্রযুক্তি কীভাবে পৌঁছে গেছে, ইউনিয়ন পর্যায়ে ফাইবার কানেক্টিভিটি এবং উপজেলা লেভেলে ফাইবার কানেক্টিভিটির যে দুয়ার খুলে দিয়েছে। যে জায়গাতে বাংলাদেশ সরকার বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে ফাইবার কানেক্টিভিটিগুলোকে নিশ্চিত করছে সেটিও তিনি উল্লেখ করেন।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান মো. জহুরুল হকসহ বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের অন্য সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। সেশনটিতে ফাইভজি অ্যান্ড দ্য সিটি, ডেটা প্রাইভেসি : স্ট্রেথিং লাইনস অব ট্রাস্ট নিয়ে আরও দুটি মূল প্রবন্ধ উপস্থাপিত হয়।

মালয়েশিয়ার কমিউনিকেশন এবং মাল্ডিমিডিয়া মন্ত্রীসহ প্যানেলে ছিলেন অরেঞ্জ গ্রুপ, ওয়ার্ল্ড ব্যাংক গ্রুপ এবং ডচেস টেলিকমের শীর্ষ কর্তারা। সেশন মডারেট করেন ফ্লিন্ট গ্লোবালের এড রিচার্ডস। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনের পর প্যানেল ডিসকাশনে বাংলাদেশের কথা উদাহরণ হিসেবে বারবার আলোচনায় এসেছে।