নিজস্ব প্রতিবেদক | সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, 10th আগস্ট, 2018

স্বৈরাচার হাসিনার নতুন কূট কৌশল

Print Friendly

আজির উদ্দিন ও এম ডি আনিছুজ্জামান (গবেষনা), যুক্তরাজ্য

পৃথিবীর ইতিহাসে যত স্বৈরাচারী শাসক রয়েছে, যত অত্যাচারী ও নিষ্ঠূর শাসক রয়েছে  সেটির যত দৈর্ঘ্য, প্রস্থ কিংবা উচ্চতা রয়েছে তার সব কিছু অতিক্রম করে গিয়েছে বর্তমান বাংলাদেশ অবৈধ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ২০১৪ এই ভোটারবিহীন নির্বাচনে ১৫৩ টি আসন আওয়ামীলীগের বিভিন্ন ধরনের অশিক্ষিত, অর্ধ শিক্ষিত কিংবা মাদক ব্যাবসায়ীরা দখল করে নিয়েছেন কোনো ধরনের ভোট ছাড়াই। যার মানে দাঁড়ালো মানুষের চাওয়ার যে মূল্য সেটির কোনো আবেদন নেই এই স্বৈরাচার সরকারের কাছে, সেটির সামান্যতম কোনো সম্মান নেই এই সরকারের কাছে। কেবল নিজের ইচ্ছেমত নির্বাচন করো আর সরকারী মাল দরিয়াতে ঢালো আর শুধু লুটে-পুটে খাও, এই হচ্ছে এখনকার নির্বাচনী হিসেব।

সাম্প্রতিক সময়ে সরকারের লুটেরা বাহিনী ছাত্রলীগের তান্ডবে দিশেহারা হয়েছে দেশবাসী। ছাত্রলীগ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মেয়েদের উঠিয়ে নিয়ে গিয়ে ধর্ষন করছে, হত্যা করছে। এই ছাত্রলীগের সাথে তো দেশে রয়েছে সরকারের র‍্যাব, পুলিশ আর বি ডি আর। ছাত্রলীগের এই সন্ত্রাস, এই খুন-জখম হালাল করবার জন্য র‍্যাব, পুলিশ ও বি ডি আর ঐকান্তিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এই তো কিছু বছর আগে এই র‍্যাব বাহিনী নারায়নগঞ্জে সাত সাতটি খুন করে সেই লাশ নদীতে ইট দিয়ে ডুবিয়ে দেয়। আর সেই পুরো ঘটনার মূল কর্মকার হচ্ছে সরকারের এম পি শামীম ওসমান এবং সরকারের মন্ত্রী মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার মেয়ের জামাই কর্ণেল তারেক সাঈদ। এই কর্ণেল তারেক সাঈদ-ই ছিলো নারায়নগঞ্জের র‍্যাবের তত্বাবধানে অধিনায়ক হিসেবে।

এইভাবে সারা দেশে অসংখ্য বিরোধী দলীয় নেতা কর্মীকে হত্যা করেছে, গুম করেছে কিংবা নানাভাবে নির্যাতন করেছে এই খুনী হাসিনা সরকার। শেখ হাসিনার যে রক্তের পিপাসা সেটি কবে মিটবে আমরা জানিনা। আমরা এও জানিনা আর কত রক্ত হলে শেখ হাসিনা বলবেন যে তার রক্তের প্রয়োজন আর নেই। আমরা জানিনা আর কত রক্ত হলে অন্তত এই খুনী হাসিনার সভাসদ থেকে একটা চিৎকার হলেও আসবে। আমাদের এসবের কিছুই জানা নেই। আমরা কেবল জানি এই স্বৈরাচার সরকার সারা বাংলার মানুষদের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে, পুরো দেশকে সম্পূর্ণভাবে ভারতের করদ রাজ্যে পরিণত করে তুলেছে।

নিম্নে গত ১০ বছরে এই খুনী হাসিনা সরকারের মাধ্যমে গুম ও নির্যাতিত মানুষের একটা পরিসংখ্যান দেবার চেষ্টা করছি এখানে-

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্রের (আসক) তথ্য মতে, চলতি বছরের (২০১৮) ৭ মাসে (৩১ জুলাই পর্যন্ত) নিখোঁজ হয়েছে ৪৫ জন। যাদের মধ্যে দুজনের লাশ পাওয়া যায়। গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে তিনজনকে। ফেরত এসেছে সাতজন। বাকি ৩৩ জন এখনো নিখোঁজ। গত বছর, ২০১৬ সালে ৯৭ জন নিখোঁজ হওয়ার পর গুমের অভিযোগ ওঠে। এর মধ্যে ১১ জনের লাশ পাওয়া গেছে। ২৬ জনকে পরে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। আর তিনজন ফিরে এলেও নিখোঁজ রহস্য উন্মোচিত হয়নি। বাকি ৫৭ জনের খোঁজ নেই এখনো। এই সংস্থাটির তথ্য মতে, ২০১৫ সালে নিখোঁজ হয়েছে ৫৫ জন, যাঁদের আটজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। সাতজনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে এবং ফেরত এসেছে পাঁচজন। এখনো নিখোঁজ ৩৫ জন। ২০১৪ সালে নিখোঁজ হয় ১০২ জন, যাদের ৮৮ জনই আজও বাড়ি ফেরেনি। ২০১৩ সালে ৫৮ জনের মধ্যে ৫৩ জন নিখোঁজ ছিল। ২০১২ সালে ৫৬ জনের মধ্যে ৩৪ জন; ২০১১ সালে ৫৯ জনের ৩৯ জন এবং ২০১০ সালে ৪৬ জন অপহৃতের মধ্যে ৩৩ জনকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।

এর আগে ২০০৭ থেকে ২০০৯ পর্যন্ত ২১ জন নিখোঁজ হয়, যাদের ১৮ জনের খোঁজ মেলেনি। এই হিসাবে ১০ বছর সাত মাসে ৫৩৯ নিখোঁজ ব্যক্তির মধ্যে ৩৯০ জন আজও ফেরেনি। তবে গতকাল আসকের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ২০০৭ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত ৫৪০ জনকে তুলে নেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৭৮ জনের লাশ পাওয়া গেছে। ৩৪৭ জন নিখোঁজ আছে। সংস্থাটির নির্বাহী পরিচালক শীপা হাফিজ বলেন, আসক মনে করে বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, গুম, অপহরণ—মৌলিক মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন, যা মানুষের মনে আতঙ্ক ও উৎকণ্ঠার সৃষ্টি করছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে যদি গুমের অভিযোগ ওঠে তাহলে রাষ্ট্রকে অন্য সব অপরাধের মতো এটিও খতিয়ে দেখতে হবে। গুমসংক্রান্ত আন্তর্জাতিক সনদ ‘ইন্টারন্যাশনাল কনভেনশন ফর প্রটেকশন অব অল পারসন্স অ্যাগেইনস্ট এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স’-এ বাংলাদেশের অনুস্বাক্ষরের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী ও তাঁর গাড়িচালক আনসার আলীকে ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল রাজধানীর বনানী থেকে তুলে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ স্বজন ও দলীয় নেতাকর্মীদের। তাঁর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা এখন  দেশের বিভিন্ন গণ মাধ্যমে হতাশা ভ’রা কণ্ঠে বলছেন, ‘স্বামীর খোঁজে অনেকবার অনেকের কাছে সাহায্য চাইতে গেছি। কিন্তু কেউ তাঁর খোঁজ দিতে পারেনি।’ এখন তিনি শুধু সৃষ্টিকর্তার কাছেই প্রার্থনা জানান।

২০১০ সালের ২৫ জুন ফার্মগেট থেকে আরেক বিএনপি নেতা চৌধুরী আলমকেও ‘তুলে নেওয়ার’ অভিযোগ ওঠে। দীর্ঘ সাত বছরে তাঁর খোঁজ মেলেনি। তাঁর স্ত্রী হাসিনা চৌধুরী বলেন, ‘গত বছর সিআইডি (পুলিশের অপরাধী তদন্ত বিভাগ) অপহরণ মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। তারা বলেছে, তদন্তে চৌধুরী আলমের নিখোঁজ হওয়ার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। আমরা কোথায় গেলে সন্ধান পাব, বিচার পাব?’

নিখোঁজ ব্যক্তিদের স্বজনরা জানায়, ২০১৩ সালের ডিসেম্বর থেকে ২০১৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত রাজধানী থেকে ১৯ জন নিখোঁজ হয়, যাদের সবাই বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত। নিখোঁজ আল আমিনের ভাই রুহুল আমিন জানান, তাঁর ভাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স শেষে এলএলবি করছিলেন। তিনি ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত থাকলেও কোনো পদে ছিলেন না। পরিবারের স্বপ্ন ছিল তিনি লেখাপড়া শেষ করে সংসারের দায়িত্ব নেবেন। এখন তাঁর বাবা আহমাদুল্লাহ ও মা জেসমিন বেগম সারা দিন কাঁদেন।

২০১৩ সালের ২৮ নভেম্বর গুম হওয়া খালিদ হাসান সোহেলের স্ত্রী শাম্মী সুলতানা বলেন, ‘জেলগেট থেকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয়ে আমার স্বামীকে তুলে নেওয়া হয়েছে। আর ফিরে পাইনি। আমার সন্তান বাবাকে ছাড়া শৈশব পার করেছে। সংসার কিভাবে চলছে, রাষ্ট্র কি সে খোঁজ রাখছে!’

২০১৪ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জের সোনা মসজিদ বন্দর এলাকা থেকে র‌্যাব পরিচয়ে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় মফিজ উদ্দিন নামের এক ব্যক্তিকে। তিন বছরেও কোনো হদিস মেলেনি তাঁর। মফিজের বন্ধু খলিলুর রহমান বলেন, ‘পানামা কম্পানিতে কাজ করত সে। কারা, কেন তাকে ধরে নিয়ে গেল জানলাম না। ওর তিনটা ছেলে নিয়ে বউটা বড় কষ্টে আছে।’

নিখোঁজের তালিকা ঘেঁটে সুজন ও মফিজের মতোই রাজনৈতিক পরিচয়হীন অনেক সাধারণ মানুষের তথ্য মিলেছে। ২০১২ সালের ১৭ এপ্রিল ঢাকার মহানগর হাকিম আদালত এলাকা থেকে ব্যবসায়ী রেজাউল করিম রেজভি, ৮ এপ্রিল সূত্রাপুর থেকে গার্মেন্ট ব্যবসায়ী তারিব উদ্দীন আহমেদ; ১৫ ফেব্রুয়ারি শাজাহানপুর থেকে দোকান কর্মচারী রফিকুল ইসলাম; ২০১৩ সালের ২৪ মে পুরনো ঢাকার জিন্দাবাহার থেকে ব্যবসায়ী আয়নাল মোল্লা; ৮ ডিসেম্বর কামরাঙ্গীরচরের আবদুল আজিজ লেনের বাসিন্দা সুলতান হাওলাদার; ২০১১ সালের ২ অক্টোবর দক্ষিণখানের গার্মেন্ট ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম; ৮ নভেম্বর সূত্রাপুরের ব্যবসায়ী মমিন হোসেন; ২৪ অক্টোবর রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুর ভাটাপাড়া জামে মসজিদের ইমাম ও গোদাগাড়ীর পালপুর ধরমপুর মহাবিদ্যালয়ের প্রভাষক আমিনুল ইসলাম নিখোঁজ হন।

২০১৫ সালের ৯ জানুয়ারি বিজয়নগরের মাহতাব সেন্টারের সামনে থেকে তুলে নেওয়া হয় গার্মেন্ট ব্যবসায়ী শিহাবুজ্জামান পাভেলকে (২৬)। বগুড়ার সেই পাভেলের স্ত্রী নার্গিস আফসানা আক্তার জানান, পল্টন থানায় মামলা করার পর দুই বছর ধরে তাঁরা ঘুরছেন। কেউ তাঁর স্বামীর হদিস দিতে পারেনি।

গত বছরের ১৪ অক্টোবর লক্ষ্মীপুর সদরের বাসা থেকে বাসে চড়ে ঢাকায় আসেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ ইকবাল মাহমুদ। এরপর ধানমণ্ডির সায়েন্স ল্যাবরেটরির কাছ থেকে গাড়িতে তুলে নেওয়া হয় তাঁকে। চলতি বছর তিনি ফিরে এলেও এ ব্যাপারে কোনো কথা বলেননি। একইভাবে আইনজীবী রিজওয়ানা হাসানের স্বামীসহ কয়েকজন ফিরে এসেছেন। কিন্তু তাঁদের নিখোঁজ রহস্যের জট আজও খোলেনি।

এই হচ্ছে কেবল একটা ভয়ানক একনায়ক এবং এক কেন্দ্রিক সরকারের হত্যা, খুন, গুম এর সামান্য কিছুটা পরিসংখ্যান।

এইতো সাম্প্রতিক সময়ে কোটা প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদেরকে জামাত ও শিবির কর্মী বানিয়ে দিয়ে কি নির্যাতনটাই না করলো সরকার। রাতের আঁধারে এই আন্দোলনের নেতা কর্মীদের ধরে নিয়ে রিমান্ডে অকথ্য অত্যাচার, তাদের বাবা মা কে হুমকি, ভাই বোন্দের হুমকি এর কোনটি করেনি তারা। সর্বোপরি এরা লেলিয়ে দিয়েছে ছাত্রলীগ এবং যুবলীগের সন্ত্রাসীদের। আওয়ামীলীগের বাঁধা ধরা সন্ত্রাসী বাহিনী।

এরপর আমরা দেখলাম নিরাপদ সড়ক চাই আন্দলোনে আন্দোলনরত শিশু ও কিশোরদের উপর সরকারী বাহিনীর অকথ্য নির্যাতনের সংবাদ। নিরাপদ সোরকের দাবীর মত একটা নিরীহ দাবীকে এরা বানিয়ে দিয়েছিলো জামাত-শিবির কিংবা বি এন পির আন্দোলন। কি চেয়েছিলো সেই আন্দোলনরত শিশু কিশোরেরা? তাঁরা চেয়েছিলো একটি নিরাপদ সড়ক যে নিরাপদ সড়কে আর নিহত হবে না তাদের ভাই, বোন, বাবা-মা কিংবা বন্ধু। এইতো ছিলো চাওয়া। অথচ এই সহজ ও ন্যায্য চাওয়াও সরকার তাদের বিরুদ্ধে আন্দলোন বলে মনে করে নিলো। ব্যস, শুরু হয়ে গেলো সরকারী গুন্ডা বাহিনী, আর আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর যৌথ তান্ডব। শুরু হোলো এই বাচ্চা বাচ্চা ছেলে মেয়েদের উপর অকথ্য নির্যাতন।

এইসব ঘটনার পুরো প্রেক্ষিতে যে ব্যাপারগুলো কাজ করছে তা হচ্ছে বিরোধী মতকে দমন ও নিঃশেষ করে দেয়া। তাহলে প্রশ্ন আসতেই পারে যে, এই দুঃশাষনের শেষ কোথায়? এই খুন বা গুমের শেষ কোথায়? তাহলে কি আমরা এই এক নায়কের কাছে পরাজিত হব? আমরা কি তাহলে এদের পাল্টা আঘাত করব না? আমরা কি এদের জবাব দেব না? আমরা কি তাহলে বসে বসে এই খুন আর গুমের শিকার হতেই থাকব?

এত এত ঘটনা ঘটিয়েছে এই স্বৈরাচার সরকার যেগুলো বলে আর লিখে শেষ করা যাবে না। ব্যাংক গুলোকে লুটপাট করে শেষ করে দিয়েছে এই সরকার, বিভিন্ন বেসরকারী আর্থিক প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা খাত, সেবা খাত কোনটি নিস্তার পেয়েছে এই সরকারের করাল গ্রাস থেকে? কেউ মুক্তি পায়নি। কেউ ছাড় পায়নি। শেখ হাসিনাকে নিঃশেষ করার আগ পর্যন্ত তাই বাঙালীর মুক্তি নেই। শুধু হাসিনা নয় পুরো আওয়ামীলীগকে এই বাংলার মাটি থেকে মুছে না দেবার আগ পর্যন্ত মুক্তি নেই কারো। ফলে আমি আহবান করব যেন সারা বাংলাদেশের মানুষ এই খুনী ও স্বৈরাচার সরকারকে সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করবার সংগ্রামে নেমে পড়েন। যেভাবে বিলুপ্ত করা হয়েছে হসিনার পিতা স্বৈরাচার শেখ মুজিবকে, ঠিক একইভাবে হাসিনার সরকারকেও বিলুপ্ত ও নিঃশেষ করবার মধ্য দিয়ে বিপ্লব এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।

 

Show Buttons
Share On Facebook
Share On Twitter
Share On Google Plus
Share On Pinterest
Share On Youtube
Hide Buttons