নিজস্ব প্রতিবেদক | সর্বশেষ আপডেট: শুক্রবার, 25th মে, 2018

গৃহকর আদায়ে স্থানীয় সরকার মন্ত্রীকে মেয়র নাছিরের চিঠি

Share This
Tags
Print Friendly

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) ২০১৭-১৮ অর্থবছর পর্যন্ত ১২টি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে গৃহকর বাবদ ১১২ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে। এ পাওনা আদায়ে গতকাল বৃহস্পতিবার স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে জরুরি ভিত্তিতে আন্ত মন্ত্রণালয় বৈঠক আহ্বানের অনুরোধ জানিয়ে চিঠি পাঠিয়েছেন সিটি মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন।

এদিকে পঞ্চবার্ষিক গৃহকর অ্যাসেসমেন্ট মন্ত্রণালয় স্থগিত করায় লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী গৃহকর আদায় করতে পারছে না চসিক। ফলে চসিকে নাগরিক সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। পাশাপাশি চসিকের আর্থিক অবস্থাও খারাপের দিকে যাচ্ছে।

মন্ত্রীকে দেওয়া চিঠিতে মেয়র বলেন, ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আয়ের মূল উত্স গৃহকর ও রেইট। গত ২০১৫ সালে জাতীয় স্কেল অনুযায়ী সিটি করপোরেশনে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বার্ষিক বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয় হয় প্রায় ২২০ কোটি টাকা। কিন্তু ২০১১-১২ অর্থবছরে পঞ্চবার্ষিক অ্যাসেসমেন্ট অনুযায়ী গৃহকর ও রেইটের দাবি ১১৯ কোটি ২৬ লাখ ৫৪ হাজার ৫৩৪ টাকা; যা বার্ষিক বেতন-ভাতা বাবদ ব্যয়ের পরিমাণের চেয়ে অনেক কম। এ ছাড়া এ দাবির একটি বড় অংশ বকেয়া থাকায় চসিক চরম আর্থিক সংকটে পড়েছে। যে কারণে নাগরিক সেবা কার্যক্রম অব্যাহত রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে। নগরবাসীকে কাঙ্ক্ষিত সেবা দেওয়া না গেলে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিটি করপোরেশনের আসনগুলোর ফল প্রভাবিত হতে পারে।’

এ বিষয়ে চসিক মেয়র আ জ ম নাছির বলেন, ‘বারবার জানানোর পরও সরকারি সংস্থাগুলো নানা অজুহাতে বকেয়া গৃহকর পরিশোধ করছে না। ইতিমধ্যে এসব সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে একাধিকবার বৈঠক করেছি। কিন্তু তেমন কোনো ফল পাইনি। তাই মন্ত্রণালয়কে বিষয়টি জানাতে হলো। এ ছাড়া আলাদাভাবে এসব মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ও সচিবকেও চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

Show Buttons
Share On Facebook
Share On Twitter
Share On Google Plus
Share On Pinterest
Share On Youtube
Hide Buttons