নিজস্ব প্রতিবেদক | সর্বশেষ আপডেট: সোমবার, 16th জানু., 2017

মীর কাশেমের অর্থ বন্ধের পর বার্গম্যানের লেখা বন্ধ!!

Share This
Tags
Print Friendly

একাত্তরের ঘাতকদের পরম বন্ধু ডেভিড বার্গম্যান তার ব্যাক্তিগত ব্লগে দীর্ঘদিন ধরে আর লিখছেন না। এ ব্যাপারটি নিয়ে তদন্ত করতেই বেরিয়ে এসেছে চমকপ্রদক কিছু তথ্য। জানা যায় যে মীর কাশেমের পরিবার বার্গম্যানের উপর অত্যন্ত নাখোশ। প্রায় ৬৫ কোটি টাকা দেবার পরেও জনাব বার্গম্যান জামাতের নেতৃত্বস্থানীয় ব্যাক্তিদের ব্যাপারে কোনো কিছুই করতে পারেন নি বলে তার উপর জামাতের একাংশ প্রচন্ড রকমের ক্ষিপ্ত হয়ে রয়েছেন।

এইদিকে এইব্যাপারে তদন্ত করে জানা যায় যে ডেভিড বার্গম্যানের ব্লগে দীর্ঘদিন ধরে কোনো লেখা নেই। তিনি তার ব্লগে শেষ লেখা লিখেন গত বছরের ৪-সেপ্টেম্বরে যেটি সম্পূর্ণভাবে তার উপর আসা শত অভিযোগকে নানাভাবে খন্ডিয়ে একটি লেখা। এর আগে তিনি ওই একই বছরের মার্চের ৬ তারিখে দুটি লেখা লিখেন এবং এর আগের লেখা গুলো সব নিয়মিত ভাবে ২০১০ থেকে ২০১৫ সালের মধ্যে।

হঠাৎ করে তিনি তার ব্লগে কেন লিখছেন না এই ব্যাপারে জানতে চাইলে ডেভিড বার্গম্যান “ফাক অফ” বলে লাইন কেটে দেন। পরবর্তী সময়ে তাঁর স্ত্রী সারা হোসেনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই বিষয়ে বাংলাদেশের কোনো পত্রিকার সাথে কথা বলবেন না বলে আমাদের প্রতিবেদককে সাফ জানিয়ে দেন।

db

এদিকে জামাতের একজন নেতৃত্ব স্থানীয় নেতার সাথে কথা বলে জানা যায় যে তার দলের একাংশ ডেভিডের উপর অত্যন্ত ক্ষিপ্ত ও রাগান্বিত হয়ে রয়েছে। এমনকি সামনাসামনি হলে তাকে মার দেবে এই ধরনেরও চিন্তা ভাবনা রয়েছে জামাতের কিছু তরুন নেতার। তাদের ধারনা ডেভিড বার্গম্যান এই ট্রাইবুনাল বন্ধ ও সরকারকে চাপ দেবার জন্য গত ৭ বছরে জামাতের কাছ থেকে মোটা অংকের অর্থ হাতিয়ে নিয়ে গেছে কিন্তু শেষ পর্যন্ত পাকিস্তান ও ভারতের ডান পন্থী কয়েকটি পত্রিকাতে লেখা প্রকাশ ছাড়া আর কোথাও কিছু করেনি। সুখরঞ্জন বালি বিষয়ক ঘটনাতে ডেভিড বার্গম্যানকে যে অর্থ দেয়া হয়েছে সেটার পরিমান কত জানতে চাইলে এই জামাত নেতা এই ব্যাপারে হাই কমান্ড থেকে নিষেধ আছে বলে এড়িয়ে যান। তিনি বলেন “সুখরঞ্জন বালির ব্যাপারটি আপনারা ডেভিডকে জিজ্ঞেস করছেন না কেন? সকাল ৮ টার সময় ট্রাইবুনালের দরজার সামনে তো আমরা দাঁড়িয়ে থেকে ঘটনার কথা বলিনি!! বলেছে ডেভিড বার্গম্যান। আমরা কেবল তার প্রদত্ত কথা বিশ্বাস করেছি”

এদিকে ডেভিড বার্গম্যান কেন হঠাৎ করে তার ব্লগে লেখা বন্ধ করে দিয়েছেন এই ব্যাপারে জিল্লুর রহমান নামে একজন একটিভিস্টের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন যে, “এটা তো ডেভিড বার্গম্যানের জন্য নতুন কিছু নয়। এর আগে ট্রাইবুনাল-২ থেকে যখন তার বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অর্ডার দিয়ে সতর্ক করা হোলো তখন এই বার্গম্যান হঠাৎ করে অনেক দিনের জন্য উধাও হয়ে যান। প্রায় ৬ মাস পর বার্গম্যান ট্রাইবুনালের দরজায় সকাল ৮ টার দিকে এসে সুখরঞ্জন বালি নামের কাউকে আইন শৃংখলা বাহিনীর লোকেরা উঠিয়ে নিয়ে গেছেন বলে গুজব ছড়ান”

এইদিকে ডেভিদ বার্গম্যানের ব্যাপারে আরো খোঁজ নিলে বেরিয়ে আসে অসংখ্য চমকপ্রদক তথ্য। আবিসি নিউজ রিপোর্ট নামে একটি অনলাইন পত্রিকা গত বছর “David Bergman: The hired henchman of war criminal”  এই নামে একটি ইংরেজী নিবন্ধ প্রকাশ করে যেটি ব্যাপক আলোড়ন তোলে। সেখানে বলা হয় যে-

The International crimes tribunal in Bangladesh (ICTBD) has endured relentless criticism from the inglorious perpetrators and their allies since its formation in 2010. A myriad of individuals (or “experts” if you like), placed high on the social ladder of course, jumping at even the tiniest of opportunities to lend a terse word or two, some more than others really. But perhaps the most prominent and certainly one of the most notorious names on that list appear to be that of one David Bergman’s, a British citizen by birth. Now it is one thing to express a thought or sing a limerick about something which is happening in front of you, but Mr Bergman has seemingly made it his life’s mission to scrutinize every minuscule detail with regards to the ICTBD’s proceedings. At least that is what the conscious citizens of Bangladesh think so. This man has free-lanced for several national newspapers in Bangladesh before by proclaiming himself as a journalist. But he operates mainly out of the daily English newspaper called “The New Age”, which is how he is recognized in most circles, although we understand he has previously worked with bdnews24 as well. As to why exactly he left the UK for Bangladesh, on what grounds or what his visa status is for that matter, is a complete mystery to many. Now while his marriage to Sara Hossain, daughter of Dr Kamal Hossain is no secret, along with the notoriously popular notion amongst some that he a is a “stay-in” husband, Mr Bergman’s unwavering contempt and his overall activities over the past 6 years in Bangladesh has led many to seriously question the eligibility of his stay here in Bangladesh. Mr Bergman was found guilty of expressing contempt towards the ICTBD and maintaining a blog deemed too “overbearing” and “dictatorial” towards the honorable judges of the ICTBD. The ICTBD-1 penalized him on the 20th of December 2015, although that wasn’t the only time something like this happened to Mr Bergman. ICTBD-2 previously found him guilty of ignominy towards the court. But instead of penalizing him, the tribunal let him off with an ultimatum. His efforts of course caught the attentions of Jamat who wasted no time in acquiring his services, for a price of course according to our sources. We have already mentioned the Mir Quasem fiasco and the 65 crores that Jamat paid Mr Bergman. And now Jamat have abandoned him after he failed to deliver on his expensive promises, failing to save not only Mir Quasem but others convicted of War crimes.

এই ছাড়াও যুক্তরাজ্যের গন জাগরন মঞ্চের কর্মীরা ডেভিড বাত্তগম্যানের নামে অভিযোগ করেছেন এই বলে যে যুক্তরাজ্য থেকে চৌধুরী মইনুদ্দিনের এক্সট্রাডিশন ক্যাম্পেইনের ব্যাপারে তিনি কর্মীদের ক্রমাগত বাঁধা দিচ্ছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি একাত্তরের ঘাতক মইনুদ্দিনের পক্ষ নিয়ে গন জাগরন মঞ্চের কর্মীদের অশ্লীল গালাগাল দিচ্ছেন ও তাদের ব্যাপারে বিরুদ্ধ প্রচারণা চালাচ্ছেন।

এত কিছুর পরেও ডেভিড বার্গম্যানকে কেন গ্রেফতার করা হচ্ছেনা বা তার বিরুদ্ধে কেন আইন আনুগ ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছেনা এই ব্যাপারে আইনবিদ ব্যারিস্টার শরীফ হাসানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “সরকারের উচিৎ ডেভিড বার্গম্যান ঠিক কি ভিসায় এই দেশে রয়েছেন সেটির পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করা এবং তার এইসব দেশদ্রোহিতা মূলক কর্মকান্ডের ব্যাপারে সরকারকেই মামলা করা”

Show Buttons
Share On Facebook
Share On Twitter
Share On Google Plus
Share On Pinterest
Share On Youtube
Hide Buttons