নিজস্ব প্রতিবেদক | সর্বশেষ আপডেট: বৃহস্পতিবার, 22nd ডিসে., 2016

ডিবির জিজ্ঞাসাবাদে বাবুল আক্তারের শ্বশুর

Share This
Tags
Print Friendly

মাহমুদা খানম মিতু হত্যা মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করতে সাবেক পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের শ্বশুর মোশাররফ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রামের ডিবি কার্যালয়ে হাজির হন। এর কিছুক্ষণ পরই জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার মো. কামরুজ্জামান।

মিতুর বাবা ডিবির কার্যালয়ে ঢোকার আগে এ বিষয়ে বলেন, জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তিনি বিস্তারিত জানাবেন। এসময় তার সঙ্গে ছিলেন ভাতিজা আবদুর রহিম।

মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেনও সাবেক পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি বাহিনী থেকে পরিদর্শক হিসেবে অবসরে যান। ঢাকার বনশ্রীতে এখন পরিবার নিয়ে থাকেন।

এর আগে বৃহস্পতিবার সকালে মামলার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রথমবারের মতো জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় মামলার বাদী এবং মিতুর স্বামী বাবুল আক্তারকে। প্রায় সাত মাস পর তিনি সিএমপি কার্যালয়ে আসেন।

সিএমপির ডিবি কার্যালয়ের দ্বিতীয় তলায় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা অতিরিক্ত উপপুলিশ কমিশনার মো. কামরুজ্জামান তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন।

জিজ্ঞাসাবাদ সম্পর্কে সিএমপির একটি সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের জবাবে তিনি (বাবুল আক্তার) অধিকাংশ উত্তর জানেন না এবং এজাহারে উল্লেখ আছে বলে জানান। তবে জিজ্ঞাসাবাদের অধিকাংশ সময় বাবুল আক্তার নীরবে চোখের পানি ঝরিয়েছেন।

এ সম্পর্কে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কামরুজ্জামান জানান, মিতু হত্যা মামলা সম্পর্কে বাদী হিসেবে বাবুল আক্তারের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। মামলা সম্পর্কে বাবুল আক্তার তার বক্তব্য দিয়েছেন। এসব তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। এখন মিতুর বাবা মোশাররফ হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা আরও বলেন, চাঞ্চল্যকর এ মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করার চেষ্টা করছি। তবে মামলায় মুসা নামে একজন সন্দেহভাজন আসামি রয়েছে। সে আত্মগোপনে রয়েছে। তাকে পাওয়া গেলে মিতুকে হত্যার কারণ জানা যাবে।

৫ জুন চট্টগ্রাম নগরের জিইসি মোড় এলাকায় মাহমুদা খানম মিতুকে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাত ও গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় বাবুল আক্তার অজ্ঞাত পরিচয় তিন ব্যক্তির বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় মামলা করেন।

এ ঘটনার পর ২৪ জুন মধ্যরাতে রাজধানীর বনশ্রীর শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবুল আক্তারকে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। প্রায় ১৫ ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে আবার বাসায় পৌঁছে দেয়া হয়। ওই সময় তার কাছ থেকে পদত্যাগপত্র নেয়া হয় বলে গুঞ্জন সৃষ্টি হয়।

৬ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, বাবুলের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে পুলিশ বাহিনী থেকে চাকরিচ্যুত করা হয়। বর্তমানে তিনি রাজধানীতে একটি বেসরকারি হাসপাতালে চাকরি করছেন।

Show Buttons
Share On Facebook
Share On Twitter
Share On Google Plus
Share On Pinterest
Share On Youtube
Hide Buttons