নিজস্ব প্রতিবেদক | সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, 16th নভে., 2016

আদিলুর রহমান শুভ্রের উপর অত্যাচার আর কতদিন চলবে?

Share This
Tags
Print Friendly

কাজী মোহাম্মদ সাইফুল হক | মানবাধিকার কর্মী

বাংলাদেশে মানবাধিকার নিয়ে যারা কাজ করেন তাঁদের মধ্যে অন্যতম ও সর্বপ্রিয় একজন ব্যাক্তির নাম আসলে সবার আগেই আসবে আদিলুর রহমান খান শুভ্রের কথা। অথচ এই ব্যাক্তিকে বছরের পর বছর মিথ্যে মামলায় গ্রেফতার করে সরকার তার স্বৈরাচারী মুখোশকেই কেবল উন্মোচন করেনি বরং এই সরকার যে আসলে একটি অগনাতান্ত্রিক ও একনায়ক চরিত্রের সেটিকেই বার বার প্রকাশ করেছে।

২০১৩ সালের হেফাজতে ইসলামীর বিরাট জনসভাতে সরকার দলীয় নেতা কর্মী ও আইন শৃংখলাবাহিনী বোমা মেরে ও গুলি করে শত শত কর্মীকে আহত করে,খুন করে ও গুম করে। এই বিষয়েই সোচ্চার ছিলেন আদিলুর রহমান। তাঁর প্রতিষ্ঠিত মানবাধিকার প্রতিষ্ঠান অধিকার এর পক্ষে থেকে এই ব্যাপারে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয় সাধারন জনগনের কাছে। এই প্রতিবেদনের ফলেই আদিলুর রহমানের উপর নেমে আসে সরকারী খড়গ ও শুরু হয়ে যায় মামলা ও হয়রানীর এক নতুন অধ্যায়।

সাম্প্রতিক সময়ের গণমাধ্যমগুলো থেকে জানা যায় যে, এই ব্যাপারে বাংলাদেশের বৃহৎ রাজনৈতিক দল বি এন পি’র চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া তাঁর মতামত প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, “আদিলুর রহমান খান শুভ্রকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় সরকারের স্বৈরাচারী মুখোশ উন্মোচিত হয়েছে,”

মানবাধিকার সংগঠন অধিকারের সেক্রেটারি আদিলুর রহমান খান শুভ্রকে গ্রেপ্তারের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এক বিবৃতিতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া একথা বলেছেন। তিনি আরও বলেন, বলেন, “ বাংলাদেশে মানবাধিকার পরিস্থিতি চরম পর্যায়ে পৌঁছেছে। এই পরিস্থিতির বিষয়টি নিয়ে যারা সোচ্চার হচ্ছেন, এখন তাদের ওপর সরকারের খড়গ নেমে এসেছে। এই (আদিলকে গ্রেপ্তার) ঘটনায় আমরা উদ্বিগ্ন ও উৎকণ্ঠিত।”

সরকারের বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের অভিযোগ এনে এর সর্বশেষ নজির হিসেবে আদিলকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি তুলে ধরে খালেদা জিয়া বলেন, “এই সরকার রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যবহার করছে। হত্যা-গুম করে তারা বিরোধী দলকে দাবিয়ে রাখতে চায়। মানুষের মৌলিক অধিকার ও স্বাধীনভাবে মত প্রকাশকে সরকার গলা টিপে ধরছে। নির্যাতনের ছোবল থেকে মানবাধিকার কর্মীরাও আজ রক্ষা পাচ্ছে না।”

বিএনপির পর জামায়াতের পাশাপাশি তাদের ১৮ দলীয় জোট শরিক খেলাফত মজলিসও আদিলকে গ্রেপ্তারের নিন্দা জানিয়েছেন। খেলাফত মজলিসের আমির মোহাম্মদ ইসহাক ও মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের এক বিবৃতিতে বলেন, “সরকার মানবাধিকারকে গলা টিপে হত্যা করতে চায়। তাই মানবাধিকারের কণ্ঠস্বর অধিকারের সম্পাদক আদিলুর রহমান খানকে গ্রেপ্তার করে নির্যাতনের উদ্দেশ্যে রিমান্ডে নিয়েছে।” আদিলকে মুক্তি না দিলে আন্দোলন গড়ে তোলার ঘোষণাও দেন খেলাফত মজলিসের নেতারা।

মানবাধিকার সংস্থা আইন ও সালিশ কেন্দ্র (আসক) অধিকারের সেক্রেটারি আদিলুর রহমান খানকে গ্রেপ্তার করায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি বলেছে, মানবাধিকারের কর্মীদের স্বাধীনভাবে কাজ করা ও নিরাপত্তাবোধের ওপর এ ধরনের ঘটনা নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। সংস্থাটি আরও বলেছে, গ্রেপ্তার-পরবর্তী সময়ে তাঁকে তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে দেখা করতে দেওয়া হয়নি। গোয়েন্দা পুলিশ যেভাবে তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে, সে বিষয়ে কোনো স্পষ্ট বক্তব্য পাওয়া যায়নি। মানবাধিকার সংগঠন হিসেবে আইন ও সালিশ কেন্দ্র এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছে।

এশিয়ান হিউম্যান রাইটস কমিশন আদিলুরের গ্রেপ্তারের ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। সংস্থাটি আদিলুরের পরিবারকে উদ্ধৃত করে বলেছে, তারা পুলিশি হেফাজতে আদিলুরের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কায় আছে।

আদিলুর রহমান খানের গ্রেপ্তারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ – টিআইবি। যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণের মাধ্যমে স্বল্পতম সময়ের মধ্যে তাঁকে মুক্তি দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে টিআইবি। এক বিবৃতিতে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ইফতেখারুজ্জামান বলেন, ‘যেকোনো বিষয়ে গঠনমূলক সমালোচনার অধিকার সবার রয়েছে। সরকারের এমন কোনো সিদ্ধান্ত কিংবা পদক্ষেপ নেওয়া উচিত নয়, যা মানুষের মত প্রকাশের স্বাধীনতা ও কথা বলার অধিকারকে হরণ করে।’ বিবৃতিতে সরকারকে আরও সহনশীল ও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানায় টিআইবি।

মানবাধিকার সংস্থা অধিকার জানিয়েছে,আদিলুর রহমান খান ওরফে শুভ্রকে তাঁর গুলশানের বাড়ির সামনে থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। অধিকারের দাবি, গত ৫ ও ৬ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অভিযান সম্পর্কে প্রতিবেদন প্রকাশ করায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ওই প্রতিবেদনে অধিকার দাবি করেছে, হেফাজতের শত শত কর্মীকে হত্যা করা হয়েছে এবং তারা প্রাথমিকভাবে ৬১ জনের নিহত হওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হয়েছে।

এদিকে মানবাধিকার কমিশনের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান পত্রিকান্তরে বলেছেন, তিনি উদ্বিগ্ন। মানবাধিকারের কর্মীদের মানবাধিকার রক্ষা করাও রাষ্ট্রের দায়িত্ব। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিষয়টির দিকে তীক্ষ নজর রাখছে। তিনি আরও বলেন, আদিলুর রহমান খান তথ্যপ্রযুক্তি আইনের কোন ধারা কীভাবে ভঙ্গ করেছেন, সেটি স্পষ্ট করতে হবে। তিনি যেন ন্যায়বিচার পান, তাঁর ওপর যেন কোনো অত্যাচার না হয় এবং তিনি যেন অহেতুক হয়রানির শিকার না হন, সে নিশ্চয়তা দিতে হবে।

প্রখ্যাত আইনজীবী, সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন বলেন, মানবাধিকার কর্মী এবং আইনজীবী আদিলুর রহমান খানের গ্রেফতারে আমি বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন। এই ধরনের ঘটনা কাঙ্ক্ষিত নয়। কেন তাকে গ্রেফতার করা হলো তা সরকারকে বিস্তারিতভাবে জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে। আমরা এ ব্যাপারে সবকিছু জানতে চাই।

প্রখ্যাত আইনজীবী ব্যারিস্টার রফিক-উল হক বলেন, আদিলুর রহমানকে এভাবে গ্রেফতার করা ঠিক হয়নি। তার বিরুদ্ধে যদি সুদির্নিষ্ট কোনো অভিযোগ থেকে থাকে, তবে সরকার তার বিরুদ্ধে মামলা করতে পারত। কিন্তু তা না করে সরকার তাকে গ্রেফতার করেছে। এর মাধ্যমে সরকার দায়িত্বশীল আচরণ করেনি। এতে আমি উদ্বিগ্ন।

সুপ্রিমকোর্ট বারের সাবেক সভাপতি ব্যারিস্টার খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, বর্তমান স্বৈরাচারী সরকারের সন্ত্রাস, দুর্নীতি ও দুঃশাসনের বিরুদ্ধে মানুষ যখন ক্ষোভে ফেটে পড়েছে, দেশের মানুষ যখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে অবাধ, সুষ্ঠু এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে এই সরকারকে বিদায় জানানোর জন্য প্রস্তুত, এমন একটি সময়ে অধিকারের সেক্রেটারি আদিলুর রহমান খানের গ্রেফতারের ঘটনা একটি নিকৃষ্ট পদক্ষেপ।

এতসব বক্তৃতা ও বিবৃতির পরেও সরকারের টনক নড়েনি বরং আদিলুর রহমান শুভ্রকে দিনের পর দিন কারাগারে আটকে রেখে মানসিক নির্যাতন অব্যাহত রেখেছে। কিন্তু স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন এসে দাঁড়ায় যে আদিলুর রহমান এর আসলে দোষ কি? এই ব্যাপারটি খতিয়ে দেখলে আসলে দেখা যায় যে শুধু মাত্র হেফাজত ইসলামীর যেসব নেতা-কর্মীরা সরকারী পুলিশের আক্রমনে ৫ই মে ২০১৩ সালে আহত ও নিহত হয়েছিলেন সেটির জন্যই তাঁর বিরুদ্ধে সরকারের এই আক্রমন। কেননা  অধিকারের এই প্রতিবেদনের ফলে সরকারের এই গোপন গণহত্যার কথাই কেবল সারা বিশ্বে প্রচারিত হয়নি বরং তাদের এক নায়কতান্ত্রিক খুনে মানসিকতাই সারা বিশ্বে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

শুধু আদিলুর রহমান শুভ্রকে গ্রেফতার ও হয়রানি করেই নয় বরং অধিকার অর্গানাজেশনের সাথে জড়িত নানা স্তরের কর্মীদের উপর হামলা, মামলা,হুমকির মাধ্যমে সকল ধুরনের কাজকে ব্যহত করবার জন্য সরকার যা যা করা দরকার তাই করছে। অধিকারের যেসব কর্মীরা গ্রাম বা মফস্বল অঞ্চলে কর্মরত রয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে থানা থেকে ক্রমাগতভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। একের পর এক মিথ্যে মামলা দেয়া হচ্ছে, হয়রানি করা হচ্ছে কর্মীদের পরিবারের সদস্যদেরও। অধিকারের অন্তর্বর্তীকালীন এক সমীক্ষায় দেখা যায় যে অধিকারের প্রায় ১৯৬ কর্মীর বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নানা রকমের মিথ্যে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এইসব মামলার ভেতর যেমন রয়েছে দেশদ্রোহিতা, একই সাথে রয়েছে চাঁদাবাজিরিও মামলা। একজন মানবাধিকার কর্মী কি করে চাঁদাবাজির সাথে সম্পৃক্ত হতে পারেন বা এটি কিভাবেই আসলে সম্ভব এমন প্রশ্নের জবাবে কোনো উত্তরই মেলেনি সরকারের পক্ষ থেকে।

২০১৪ সালে নির্বাচনবিহীন ও অনির্বাচিত অবস্থায় প্রায় ১৬০ এর উপর তথাকথিত সংসদ সদস্য জাতীয় সংসদে গিয়েছেন। এইসব সংসদ সদস্যদের জনতার কাছে জবাবদিহিতা করতে হচ্ছেনা, নেই কোনো দায়বদ্ধতাও সুতরাং তারা প্রচন্ড রকমের একনায়কতান্ত্রিক উপায়ে তাদের স্ব স্ব সংসদীয় অঞ্চলে কতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে এবং অবৈধ অর্থের এক মচ্ছব খুলে বসেছে। বাংলাদেশে মানুষের অধিকার এখন এমন যায়গায় এসে পৌঁছেছে যেখানে গর্ভের শিশুকে খুন হয়ে যেতে হয় আওয়ামীলীগের দুই গ্রুপ্রের হামলায়, যেখানে ছাত্রলীগের কর্মীরা প্রকাশ্য রাস্তায় চাপাতি দিয়ে খুন করে নিরীহ বিশ্বজিৎকে, যেখানে টেন্ডারবাজি, চাঁদাবাজি, লুটপাটের জন্য প্রকাশ্য রাস্তায় আওয়ামীলীগের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের নেতারা অস্ত্র নিয়ে যুদ্ধে নেমে যায়। গত বছরের সামগ্রিক মানবাধিকার পরস্থিতি এই লিংকে পাঠকদের বুঝবার সুবিধার্থে দিয়ে দেয়া হচ্ছে-

এই হচ্ছে বাংলাদেশের বর্তমান মানবাধিকার পরিস্থিতি। গুম খুন, বিচার বহির্ভূত হত্যাকান্ড, অপহরন, মিথ্যে মামলা দায়ের, গুলি করে আহত করা, হয়রানী, জমি দখল এইসব বিষয় হচ্ছে এখন মামুলি ব্যাপার। আওয়ামীলীগ ছাড়া ও তাদের সহযোগী রাজনৈতিক দলের কর্মীরা ছাড়া বাংলাদেশে আর কোনো রাজনৈতিক দলের কোনো ভাষ্য নেই কিংবা তাদের কথা বলবার সকল পথকে রুদ্ধ করে রেখেছে এই স্বৈরাচারী অবৈধ সরকার।

যে ভাষ্য লিখবার জন্য এত কথার অবতারনা হয়েছে সেটি হচ্ছে প্রখ্যাত মানবাধিকার কর্মী আদিলুর রহমান শুভ্রকে মুক্তি দেবার জন্য সরকারের প্রতি চাপ তৈরী করতে হবে। সেটি দেশে বিদেশে কিংবা যেখানেই হোক না কেন। কূটনৈতিক পর্যায় থেকে শুরু করে প্রান্তিক পর্যায়ের প্রতিটি স্তরেই এই চাপ প্রয়োগের তীব্র প্রয়োজন রয়েছে। কিছুদিন আগে দেশের আরেকজন স্বনামধন্য সাংবাদিক ও প্রাক্তন জ্বালানী উপদেষ্টা মাহমুদর রহমান দীর্ঘ তিন বছর কারাভোগের পর সাম্প্রতিক মুক্তি পেয়েছেন। এটা আমাদের জন্য আশার কথা যে আইন আদালত মাঝে মধ্যে দল নিরপেক্ষ রায় দেন ও দৃষ্টি ভঙ্গি দেখিয়ে থাকেন। মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে যেসব অত্যাচার গত তিন বছরে হয়েছে তার থেকেও বেশী অত্যাচার হয়েছে মানবাধিকার কর্মী আদিলুর রহমান শুভ্রের উপর। অথচ সে তুলনায় তাঁর পক্ষে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রচার, প্রচারনা কিংবা বাংলাদেশের অন্য মানবাধিকার সংগঠনগুলোর উদ্যোগ খুবই কম। এটি ভুলে গেলে চলবে না যে, আদিলুর রহমান শুভ্র এই দেশে মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সত্য তুলে ধরতেই আজকে নির্যাতনের সম্মুখীন হচ্ছেন। আজকে শুভ্রকে কারাগারে নিলে যারা চুপ থাকবেন, কাল তাঁদেরত ধরে নিয়ে গেলে কিন্তু কথা বলার কেউ থাকবেন না, এটা সবার আগে বুঝতে হবে। সুতরাং আদিলুর রহমান শুভ্রের মুক্তির ব্যাপারে আমাদের ঐক্যবদ্ধ হতেই হবে।

আমরা চাই বাংলাদেশ এমন একটি রাষ্ট্র হয়ে উঠুক যেখানে সকলেরই মত প্রকাশের স্বাধীনতা থাকবে, সকল নাগরিকই তাদের ভোট তাঁরা নিজেরা দিয়ে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে অব্যাহত রাখবেন। আর এই প্রক্রিয়াকে সঠিকভাবে এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য সাধারন মানুষের উপর নির্যাতন রোধ ও বাকস্বাধীনতার সফল ব্যবহার যেটি আমাদের সাংবিধানিক অধিকারও বটে।

Show Buttons
Share On Facebook
Share On Twitter
Share On Google Plus
Share On Pinterest
Share On Youtube
Hide Buttons