নিজস্ব প্রতিবেদক | সর্বশেষ আপডেট: রবিবার, 30th নভে., 2014

শেয়ার মার্কেট, পর্ব-২

Share This
Tags
Print Friendly

time-1
মোঃ শাহাবুদ্দীন, সম্পাদক

শেয়ার কত প্রকার ও কি কি?
শেয়ার ৩ প্রকার। যথা: ১। Ordinary Share (সাধারন শেয়ার)।
২। Preference Share (অগ্রাধিকার শেয়ার)।
৩। Deferred Share (বিলম্বিত শেয়ার)।

সাধারন শেয়ার
(Ordinary Share)
অগ্রাধিকার শেয়ার মালিকদেরকে লভ্যাংশ প্রদানের পর লাভ অবশিষ্ট থাকলে তা যে শেয়ার মালিকদের প্রদান করা হয় তাকে সাধারন শেয়ার (Ordinary Share) বলে।
লভ্যাংশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে এ ধরনের শেয়ার মালিকদের অগ্রাধিকার থাকে না। কি হারে লভ্যাংশ পাবে সেটাও আগে থেকে ঠিক করা থাকে না। কারবার বিলুপ্তির পর গ্রাধিকার শেয়ার মালিকরা মূলধন ফেরৎ পাওয়ার পর সাধারন শেয়ার মালিকরা মূলধন ফেরৎ পায়। এ ধরনের শেয়ার মালিকরা পূর্ণ ভোটাধিকারপ্রাপ্ত হন এবং কারবার পরিচালনায় অংশগ্রহন করতে পারেন। সাধারন শেয়ারকে Equity Share বলে।

অগ্রাধিকার শেয়ার
(Preference Share)
যে শেয়ার মালিকরা লভ্যাংশ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পায় তাকে অগ্রাধিকার শেয়ার (Preference Share) বলে।
অগ্রাধিকার শেয়ারের উপর কি হারে লভ্যাংশ পাওয়া যাবে তা লেখা থাকে। কারবার বিলুপ্তির পর মূলধন ফেরৎ পাওয়ার ক্ষেত্রে এ ধরনের শেয়ার মালিকরা অগ্রাধিকার পেয়ে থাকে। অগ্রাধিকার শেয়ার মালিকরা কারবার পরিচালনায় অংশগ্রহন করতে পারে না। এ ধরনের শেয়ার মালিকদের ভোটাধিকার থাকে না।

বিলম্বিত শেয়ার
(Deferred Share)
যে শেয়ার মালিকরা অগ্রাধিকার ও সাধারন শেয়ার মালিকদের লভ্যাংশ বিতরন করার পরে অবশিষ্ট লভ্যাংশ পায় তাকে বিলম্বিত শেয়ার (Deferred Share) বলে।
কারবার বিলুপ্তির পর অগ্রাধিকার ও সাধারন শেয়ার মালিকদের মূলধন ফেরৎ দেওয়ার পর অবশিষ্ট মূলধন বিলম্বিত শেয়ার মালিকরা ফেরৎ পায়। এ ধরনের শেয়ার কোম্পানির উদ্যোক্তাদেরকে প্রদান করা হয়। এ জন্য এ ধরনের শেয়ারকে Founders Share বা প্রবর্তকের শেয়ার বলে।

রাইট শেয়ার
ষ্টক এ´চেঞ্জের অনুমোদিত কোম্পানী যদি মূলধন (Paid-up Capital) বৃদ্ধি করতে চায় তবে BSEC-র অনুমোদন সাপেক্ষে রাইট শেয়ার ইস্যু করে। আইপিও বা প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের মাধ্যমে নয় বরং যারা সংশ্লিষ্ট কোম্পানীর শেয়ারহোল্ডার তারাই রাইট শেয়ার ক্রয় করতে পারবে। মনে করি, কোম্পানী ২:১ অনুপাতে রাইট শেয়ার ইস্যু করবে। এ ক্ষেত্রে কোন শেয়ারহোল্ডারের ১০০ টি শেয়ার থাকলে সে ৫০ টি রাইট শেয়ার ক্রয় করতে পারবে। রাইট শেয়ার খুব লাভজনক। কারন রাইট শেয়ার কেনা যায় ওই কোম্পানীর শেয়ারের দামের চেয়ে কম দামে।

Bonus Share
কোম্পানী তার শেয়ারহোল্ডারদেরকে নগদ অর্থ বা Dividend প্রদান না করে Stock আকারে প্রদান করাকে Bonus Share। লভ্যাংশ নগদে প্রদান করলে কোম্পানীর তারল্য সংকট দেখা দেয়ার সম্ভাবনা থাকে। ফলে কোম্পানী নগদে লভ্যাংশ প্রদান না করে শেয়ার ইস্যু করে। এ ধরনের শেয়ার ইস্যুকে বোনাস শেয়ার বলে। শেয়ারহোল্ডারদের শেয়ারের অনুপাতে বোনাস শেয়ার ইস্যু করা হয়। যেমন- ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিঃ ২০১১ সালে ২৫% বোনাস শেয়ার ঘোষনা করেছে। যে শেয়ারহোল্ডরের ১০০ শেয়ার ছিল, তিনি ২৫ টি বোনাস শেয়ার পেয়েছেন। সুতরাং তার মোট শেয়ার সংখ্যা দাঁড়াল ১২৫ ।

অতিমূল্যায়িত শেয়ার
যে শেয়ারের আয়ের তুলনায় বাজার মূল্য বেশি তাকে অতিমূল্যায়িত (Overvalued) শেয়ার বলে।

অবমূল্যায়িত শেয়ার
যে শেয়ারের আয়ের তুলনায় বাজার মূল্য কম তাকে অবমূল্যায়িত (undervalued) শেয়ার বলে।

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

Comment moderation is enabled. Your comment may take some time to appear.

Show Buttons
Share On Facebook
Share On Twitter
Share On Google Plus
Share On Pinterest
Share On Youtube
Hide Buttons