নিজস্ব প্রতিবেদক | সর্বশেষ আপডেট: বুধবার, 8th জানু., 2014

বীর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার পরিচিতি – ১৫

Share This
Tags
Print Friendly

(বীর খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের পরিচিতি পোর্টাল বাংলাদেশ ডটকম-এর একটি চলমান প্রক্রিয়া। ধারাবাহিকভাবে এটি তুলে ধরা হচ্ছে। চোখ রাখুন…)

নাম    :     মরহুম লেঃ কর্ণেল এটিএম হায়দার
খেতার    :     বীর উত্তম
বাহিনী    :    সেনাবাহিনী
মাতা    :    হাকিমুন্নেছা বেগম
পিতা    :    মরহুম এ্যাডভোকেট মোহাম্মদ ইসরাইল
জন্ম    :    ২০.০৯.১৯৪৬
মৃত্যু    :    ০৭.১১.১৯৭৫
গেজেট    :    ২৩

এটিএম হায়দার কিশোরগঞ্জ রামানন্দ হাইস্কুল হতে ১৯৫৮ সালে এসএসসি, গুরুদয়াল কলেজ হতে ১৯৬১ সালে এইচএসসি, লাহোর ইসলামিয়া কলেজ হতে ১৯৬৩ সালে বিএসসি পাশ করেন। পাঞ্জাব বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএসসি পড়া অবস্থায় পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে ক্যাডেট হিসেবে যোগ দেন। পাকিস্তান মিলিটারী একাডেমি হতে প্রশিণ শেষে ১৯৬৫সালে কমিশনপ্রাপ্ত হয়ে তিনি পাকসেনা বাহিনীর গোলান্দাজ ইউনিটে যোগ দেন। কমান্ডো ও স্পেশাল সার্ভিস গ্র“প প্যারাট্রুপার কোর্স সম্পন্ন করার পর তাঁকে ৩ কমান্ডো ব্যাটালিয়ন মেজর হিসেবে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্টে পোষ্টিং দেয়া হয়। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরুর পূর্বে  কিছুদিনের জন্য তাঁকে ঢাকায় আনা হয়। এ সময় তিনি মতিঝিলস্থ বোনের বাসায় এসে গোপনে দেশের সর্বশেষ খবরাখবর জেনে যেতেন। মার্চ মাসের ২৭ তারিখে কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট থেকে পালিয়ে আগরতলায় গিয়ে তিনি মুক্তিযুদ্ধে যোগ দেন।

২নম্বর সেক্টর কমান্ডার মেজর খালেদ মোশাররফের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে তিনি অসামান্য দতার সাথে সমগ্র সেক্টরের যুদ্ধ পরিকল্পনা, পরিচালনাসহ সার্বিক দায়িত্ব পালন করেন। এপ্রিল মাসের ১৪-১৫ তারিখে কিশোরগঞ্জের ময়মনসিংহ সড়কের তারেরঘাট পুল ও মুসল্লী রেলওয়ে সেতু উড়িয়ে দেন। মে মাসে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনী ব্রিজ ধংস করেন। আগরতলায় মেলাঘর-এ অবস্থিত প্রশিণ ক্যাম্পে তিনি মুক্তিযোদ্ধাদেও কমান্ডো, বিস্ফোরক ও গেরিলা ট্রেনিং প্রদান করতেন। ঢাকা শহরে পরিচালিত গেরিলা হামলা পরিকল্পনা, নির্দেশনা ও সমন্বয়ের েেত্র তিনি অসামান্য দতার পরিচয় দেন। অসাধারণ বুদ্ধিমত্তা আর কৌশলে সাজানো পরিকল্পনায় তাঁর ক্র্যাক প্লাটুনের সদস্যবা নভেম্বও মাসের মধ্যে সমগ্র ঢাকা শহরকে প্রায় অবরুদ্ধ করে ফেলে।

ফেনীসহ ২ নম্বর সেক্টারের বিভিন্ন স্থানে পাকসেনা ও তাদের এ দেশীয় তাবেদার বাহিনীর বিরুদ্ধে সম্মুখযুদ্ধ ও গেরিলা হামলায় তিনি অংশ নেন। যুদ্ধ পরিকল্পনা, পরিচালনা ও নির্দেশনায় অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করা হয়।

Leave a comment

XHTML: You can use these html tags: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>

Comment moderation is enabled. Your comment may take some time to appear.

Show Buttons
Share On Facebook
Share On Twitter
Share On Google Plus
Share On Pinterest
Share On Youtube
Hide Buttons